দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় এই মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ২ হাজার ১৬৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ডেঙ্গুসংক্রান্ত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সর্বমোট ৩০৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে কেবল অক্টোবরের প্রথম ১১ দিনেই মারা গেছেন ৬২ জন। এছাড়া বছরের অন্যান্য মাসের মধ্যে সেপ্টেম্বরে সর্বোচ্চ ১৪৮ জন, আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে ১ জন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে ২ জন করে রোগী মারা যান।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্তদের নিয়ে এ বছর মোট হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৪৪২ জনে। তবে আশার কথা হলো, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ২ হাজার ৪২৮ জন। ফলে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ৯৫ হাজার ৩৩১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
আঞ্চলিক তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে (৮৭১ জন)। অন্যান্য বিভাগের মধ্যে খুলনায় ২৯৮ জন, চট্টগ্রামে ২৮৭ জন, রাজশাহীতে ২৫৩ জন, বরিশালে ২৪৩ জন, ময়মনসিংহে ১০২ জন এবং রংপুর বিভাগে ৯২ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সর্বমোট ৩০৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে কেবল অক্টোবরের প্রথম ১১ দিনেই মারা গেছেন ৬২ জন। এছাড়া বছরের অন্যান্য মাসের মধ্যে সেপ্টেম্বরে সর্বোচ্চ ১৪৮ জন, আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে ১ জন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে ২ জন করে রোগী মারা যান।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্তদের নিয়ে এ বছর মোট হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৪৪২ জনে। তবে আশার কথা হলো, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ২ হাজার ৪২৮ জন। ফলে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ৯৫ হাজার ৩৩১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
আঞ্চলিক তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে (৮৭১ জন)। অন্যান্য বিভাগের মধ্যে খুলনায় ২৯৮ জন, চট্টগ্রামে ২৮৭ জন, রাজশাহীতে ২৫৩ জন, বরিশালে ২৪৩ জন, ময়মনসিংহে ১০২ জন এবং রংপুর বিভাগে ৯২ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।