শিউলি ফোটা ভোর, ঢাকের মন ভোলানো শব্দ আর কাশবনে হিমেল হাওয়ার পরশে শরতের আগমনী বার্তার সঙ্গেই বাঘারপাড়ায় শুরু হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রাণের উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। পুরো উপজেলা জুড়ে এখন পূজার আনন্দধ্বনি।
সকাল থেকেই বেলতলায় বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মন্ত্রপাঠে মুখরিত হয়ে ওঠে পূজা প্রাঙ্গণ। শঙ্খ, উলুধ্বনি ও ঢাকের বাদ্যে দেবী দুর্গাকে মর্ত্যলোকে বরণ করে নেন ভক্তরা।
উৎসবকে কেন্দ্র করে এক অন্য রূপে সেজেছে বাঘারপাড়া। দীর্ঘ এক মাসের প্রস্তুতি শেষে মণ্ডপগুলো এখন প্রস্তুত ভক্তদের বরণে। মৃৎশিল্পীদের হাতে তৈরি প্রতিটি প্রতিমায় ফুটে উঠেছে শিল্পের অপূর্ব ছোঁয়া। দেবী দুর্গার অসুর বিনাশী রূপের পাশাপাশি লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশের প্রতিমাও নজর কাড়ছে সবার।
শুধু প্রতিমাই নয়, দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বাহারি প্যান্ডেল ও আলোকসজ্জা। দিনের বেলায় প্যান্ডেলের কারুকাজ আর রাতের বেলায় রঙিন আলোর ঝলকানি দূর-দূরান্তের মানুষকে টানছে মণ্ডপের দিকে। সন্ধ্যা নামলেই আলোর ঝলমলে রূপে অন্য এক বাঘারপাড়ার দেখা মেলে।
দুর্গাপূজা এখন আর কোনো বিশেষ সম্প্রদায়ের উৎসব নয়, এটি মিলনের উৎসব। বাঘারপাড়ার প্রতিটি মণ্ডপে হিন্দু-মুসলিমসহ সকল ধর্মের মানুষের উপস্থিতি এই সম্প্রীতির কথাই জানান দিচ্ছে।
ভোর থেকেই ভক্তরা আসছেন দেবী দর্শনে। অঞ্জলি, প্রার্থনা ও প্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে দিন পার করছেন তারা। বিকেল গড়াতেই মণ্ডপগুলোতে ভিড় বাড়ছে বহুগুণ। নতুন জামা-কাপড় পরে শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই মেতে উঠেছেন উৎসবের আনন্দে। পূজা প্রাঙ্গণের পাশে বসা ছোট ছোট মেলা, খেলনা আর মুখরোচক খাবারের দোকানগুলোতে শিশু-কিশোরদের ভিড় উৎসবকে করেছে আরও প্রাণবন্ত।
ভক্তদের বিশ্বাস, দেবী দুর্গা দুর্গতিনাশিনী। তিনি সকল অশুভ শক্তিকে বিনাশ করে পৃথিবীতে শান্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করেন। তাই ভক্তরা দেবীর কাছে প্রার্থনা করছেন দেশ, জাতি ও সকল মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য।
আগামী কয়েকদিন মহাসপ্তমী, মহাষ্টমী, কুমারী পূজা, সন্ধি পূজা ও মহানবমীসহ নানা ধর্মীয় আচারের মধ্য দিয়ে পালিত হবে এই মহোৎসব। পরিশেষে বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা।
এদিকে উৎসব যাতে নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, সেজন্য উপজেলা জুড়ে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
সকাল থেকেই বেলতলায় বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মন্ত্রপাঠে মুখরিত হয়ে ওঠে পূজা প্রাঙ্গণ। শঙ্খ, উলুধ্বনি ও ঢাকের বাদ্যে দেবী দুর্গাকে মর্ত্যলোকে বরণ করে নেন ভক্তরা।
উৎসবকে কেন্দ্র করে এক অন্য রূপে সেজেছে বাঘারপাড়া। দীর্ঘ এক মাসের প্রস্তুতি শেষে মণ্ডপগুলো এখন প্রস্তুত ভক্তদের বরণে। মৃৎশিল্পীদের হাতে তৈরি প্রতিটি প্রতিমায় ফুটে উঠেছে শিল্পের অপূর্ব ছোঁয়া। দেবী দুর্গার অসুর বিনাশী রূপের পাশাপাশি লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশের প্রতিমাও নজর কাড়ছে সবার।
শুধু প্রতিমাই নয়, দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বাহারি প্যান্ডেল ও আলোকসজ্জা। দিনের বেলায় প্যান্ডেলের কারুকাজ আর রাতের বেলায় রঙিন আলোর ঝলকানি দূর-দূরান্তের মানুষকে টানছে মণ্ডপের দিকে। সন্ধ্যা নামলেই আলোর ঝলমলে রূপে অন্য এক বাঘারপাড়ার দেখা মেলে।
দুর্গাপূজা এখন আর কোনো বিশেষ সম্প্রদায়ের উৎসব নয়, এটি মিলনের উৎসব। বাঘারপাড়ার প্রতিটি মণ্ডপে হিন্দু-মুসলিমসহ সকল ধর্মের মানুষের উপস্থিতি এই সম্প্রীতির কথাই জানান দিচ্ছে।
ভোর থেকেই ভক্তরা আসছেন দেবী দর্শনে। অঞ্জলি, প্রার্থনা ও প্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে দিন পার করছেন তারা। বিকেল গড়াতেই মণ্ডপগুলোতে ভিড় বাড়ছে বহুগুণ। নতুন জামা-কাপড় পরে শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই মেতে উঠেছেন উৎসবের আনন্দে। পূজা প্রাঙ্গণের পাশে বসা ছোট ছোট মেলা, খেলনা আর মুখরোচক খাবারের দোকানগুলোতে শিশু-কিশোরদের ভিড় উৎসবকে করেছে আরও প্রাণবন্ত।
ভক্তদের বিশ্বাস, দেবী দুর্গা দুর্গতিনাশিনী। তিনি সকল অশুভ শক্তিকে বিনাশ করে পৃথিবীতে শান্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করেন। তাই ভক্তরা দেবীর কাছে প্রার্থনা করছেন দেশ, জাতি ও সকল মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য।
আগামী কয়েকদিন মহাসপ্তমী, মহাষ্টমী, কুমারী পূজা, সন্ধি পূজা ও মহানবমীসহ নানা ধর্মীয় আচারের মধ্য দিয়ে পালিত হবে এই মহোৎসব। পরিশেষে বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা।
এদিকে উৎসব যাতে নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, সেজন্য উপজেলা জুড়ে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।