বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে মামুন নামের এক গাড়িচালকের বাঁ চোখ নষ্ট হওয়ার মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে পুনরায় গ্রেপ্তার।
আজ রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন।
এর আগে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক আওলাদ হুসাইন আসামিদের এই হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমনে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালনকারী এই দুই সাবেক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বর্তমানে অন্য মামলায় কারাগারে আছেন এবং তদন্তে এই ঘটনার সাথে তাঁদের জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।
আদালতে শুনানির সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী গ্রেপ্তার দেখানোর বিরোধিতা করলেও রাষ্ট্রপক্ষ এর সপক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত পুলিশের আবেদন মঞ্জুর করেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভারের ওপর আন্দোলন চলাকালে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সশস্ত্র হামলায় গুলিবিদ্ধ হন চালক মামুন। তাঁর শরীরের বিভিন্ন অংশ, মাথা ও বাঁ চোখে গুলি লাগে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর বাঁ চোখটি পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়। এই ঘটনায় পরবর্তীতে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
আজ রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন।
এর আগে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক আওলাদ হুসাইন আসামিদের এই হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমনে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালনকারী এই দুই সাবেক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বর্তমানে অন্য মামলায় কারাগারে আছেন এবং তদন্তে এই ঘটনার সাথে তাঁদের জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।
আদালতে শুনানির সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী গ্রেপ্তার দেখানোর বিরোধিতা করলেও রাষ্ট্রপক্ষ এর সপক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত পুলিশের আবেদন মঞ্জুর করেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভারের ওপর আন্দোলন চলাকালে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সশস্ত্র হামলায় গুলিবিদ্ধ হন চালক মামুন। তাঁর শরীরের বিভিন্ন অংশ, মাথা ও বাঁ চোখে গুলি লাগে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর বাঁ চোখটি পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়। এই ঘটনায় পরবর্তীতে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করা হয়।