কুষ্টিয়ার মিরপুরে নিজের দুই দিন বয়সী শিশুপুত্রকে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে চুরির নাটক সাজানোর চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে এক বাবার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ তদন্তে নেমে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করে এবং রোববার রাতে উপজেলার বহলবাড়িয়া এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিরপুর উপজেলার চিথলিয়া গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলাউদ্দিন রোববার দুপুরে মিরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডিতে তিনি দাবি করেন, মিরপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে তার দুই দিন বয়সী ছেলেসন্তানটি চুরি হয়ে গেছে।
অভিযোগ পাওয়ার পরপরই তদন্তে নামে মিরপুর থানা-পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যদের বক্তব্যে অসংগতি দেখা দিলে তাদের থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পরিবারের সদস্যরা নবজাতক বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করেন।
পুলিশ জানায়, শিশুটির বাবা আলাউদ্দিন ও মা সিমা খাতুনসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্যের সম্মতিতে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে শিশুটিকে বিক্রি করা হয়েছিল। উপজেলার নওদা খাদিমপুর গ্রামের আনিস নামের এক পল্লিচিকিৎসক শিশুটিকে কিনে নেন। জিজ্ঞাসাবাদে ওই পল্লিচিকিৎসক জানান, নিজের কোনো সন্তান না থাকায় লালন-পালনের উদ্দেশ্যে তিনি শিশুটিকে নিয়েছিলেন।
তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, শিশুটিকে পরবর্তীতে আরও বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে এই চুরির নাটক সাজানো হয়ে থাকতে পারে।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, "বিষয়টি জানার পর দ্রুত তদন্ত করে নবজাতককে উদ্ধার করে মায়ের হেফাজতে দেওয়া হয়েছে। সন্তান বিক্রির পর চুরির নাটক সাজিয়ে থানায় মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছিল। পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।"
মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা শাহীন খসরু জানান, ঘটনাটি প্রশাসন খতিয়ে দেখছে এবং তদন্তের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিরপুর উপজেলার চিথলিয়া গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলাউদ্দিন রোববার দুপুরে মিরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডিতে তিনি দাবি করেন, মিরপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে তার দুই দিন বয়সী ছেলেসন্তানটি চুরি হয়ে গেছে।
অভিযোগ পাওয়ার পরপরই তদন্তে নামে মিরপুর থানা-পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যদের বক্তব্যে অসংগতি দেখা দিলে তাদের থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পরিবারের সদস্যরা নবজাতক বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করেন।
পুলিশ জানায়, শিশুটির বাবা আলাউদ্দিন ও মা সিমা খাতুনসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্যের সম্মতিতে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে শিশুটিকে বিক্রি করা হয়েছিল। উপজেলার নওদা খাদিমপুর গ্রামের আনিস নামের এক পল্লিচিকিৎসক শিশুটিকে কিনে নেন। জিজ্ঞাসাবাদে ওই পল্লিচিকিৎসক জানান, নিজের কোনো সন্তান না থাকায় লালন-পালনের উদ্দেশ্যে তিনি শিশুটিকে নিয়েছিলেন।
তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, শিশুটিকে পরবর্তীতে আরও বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে এই চুরির নাটক সাজানো হয়ে থাকতে পারে।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, "বিষয়টি জানার পর দ্রুত তদন্ত করে নবজাতককে উদ্ধার করে মায়ের হেফাজতে দেওয়া হয়েছে। সন্তান বিক্রির পর চুরির নাটক সাজিয়ে থানায় মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছিল। পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।"
মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা শাহীন খসরু জানান, ঘটনাটি প্রশাসন খতিয়ে দেখছে এবং তদন্তের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।