জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ ও একটি মোটরসাইকেলসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-১)। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে স্থানীয় ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকও রয়েছেন।
শনিবার রাতে বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের বৈষ্ণবপাড়া ও লাউচাপড়া এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। উদ্ধারকৃত ২১৭ বোতল ভারতীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। এ সময় মাদক বহনে ব্যবহৃত একটি ১৫০ সিসির সুজুকি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে বৈষ্ণবপাড়া গ্রামের সুজাত মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লাউচাপড়া এলাকা থেকে চক্রের আরও এক সদস্যকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন—ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান উদয় (২৭), বৈষ্ণবপাড়া গ্রামের সুজাত মিয়া (৩৭), মো. সিফাত (২০), গাজীপুরের মো. রুবেল মিয়া (২৭) এবং বকশীগঞ্জের নিলক্ষিয়া মির্ধাপাড়া গ্রামের মো. ফুরকান হোসেন (১৯)।
রোববার দুপুরে গ্রেফতারকৃত আসামিদের জামালপুর আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন জানান, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাদক কারবারির পেছনে যত প্রভাবশালীই থাকুক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালান বন্ধে এবং এর সঙ্গে জড়িত পুরো চক্রকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
শনিবার রাতে বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের বৈষ্ণবপাড়া ও লাউচাপড়া এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। উদ্ধারকৃত ২১৭ বোতল ভারতীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। এ সময় মাদক বহনে ব্যবহৃত একটি ১৫০ সিসির সুজুকি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে বৈষ্ণবপাড়া গ্রামের সুজাত মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লাউচাপড়া এলাকা থেকে চক্রের আরও এক সদস্যকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন—ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান উদয় (২৭), বৈষ্ণবপাড়া গ্রামের সুজাত মিয়া (৩৭), মো. সিফাত (২০), গাজীপুরের মো. রুবেল মিয়া (২৭) এবং বকশীগঞ্জের নিলক্ষিয়া মির্ধাপাড়া গ্রামের মো. ফুরকান হোসেন (১৯)।
রোববার দুপুরে গ্রেফতারকৃত আসামিদের জামালপুর আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন জানান, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাদক কারবারির পেছনে যত প্রভাবশালীই থাকুক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালান বন্ধে এবং এর সঙ্গে জড়িত পুরো চক্রকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।