সৌদি আরবে অবস্থানরত এবং দেশটিতে যাতায়াতকারী বাংলাদেশি প্রবাসীদের আকামা (বসবাসের অনুমতিপত্র) ও ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও বিশেষ বিবেচনায় দেশটিতে প্রবেশের সুযোগ পাবেন। মেয়াদোত্তীর্ণ আকামা ও ভিসাসংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার নিবিড়ভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে।
সম্প্রতি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে কর্মস্থলে ফিরতে বাধাগ্রস্ত হওয়া বাংলাদেশিদের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রবাসীদের ভিসা ও আকামার মেয়াদ বাড়ানোর প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে সৌদি আরবের এক উপমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, কোনো বাংলাদেশি কর্মীর নিয়োগকর্তা (কফিল) যদি আকামা নবায়ন না করেন, তবে কর্মীরা নতুন নিয়োগকর্তার অধীনে তা নবায়নের সুযোগ পাবেন। সরকারের এই উদ্যোগের ফলে প্রবাসী কর্মীদের আকামা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের জটিলতা অনেকাংশে কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে জানিয়েছেন, আকামার মেয়াদ শেষ হলেই সব ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের অনুমতি মিলবে—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। ভিসার ধরন, প্রবেশের অনুমতি এবং সৌদি আরবের কার্যকর নিয়ম অনুযায়ী এই প্রক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে।
তাই যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে প্রবাসীদের ভ্রমণের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট সৌদি দূতাবাস, নিজ নিজ নিয়োগকর্তা অথবা অনুমোদিত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ভিসা ও আকামার বর্তমান অবস্থা যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে কর্মস্থলে ফিরতে বাধাগ্রস্ত হওয়া বাংলাদেশিদের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রবাসীদের ভিসা ও আকামার মেয়াদ বাড়ানোর প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে সৌদি আরবের এক উপমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, কোনো বাংলাদেশি কর্মীর নিয়োগকর্তা (কফিল) যদি আকামা নবায়ন না করেন, তবে কর্মীরা নতুন নিয়োগকর্তার অধীনে তা নবায়নের সুযোগ পাবেন। সরকারের এই উদ্যোগের ফলে প্রবাসী কর্মীদের আকামা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের জটিলতা অনেকাংশে কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে জানিয়েছেন, আকামার মেয়াদ শেষ হলেই সব ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের অনুমতি মিলবে—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। ভিসার ধরন, প্রবেশের অনুমতি এবং সৌদি আরবের কার্যকর নিয়ম অনুযায়ী এই প্রক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে।
তাই যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে প্রবাসীদের ভ্রমণের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট সৌদি দূতাবাস, নিজ নিজ নিয়োগকর্তা অথবা অনুমোদিত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ভিসা ও আকামার বর্তমান অবস্থা যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।