লক্ষ্মীপুরে মাটির ব্যবসাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলিতে খোরশেদ আলম (৫০) নামে এক মাটি ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের দিলসাদপুর গ্রামের খাঁনের বাড়িতে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত খোরশেদ আলম দিলসাদপুর গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত খোরশেদের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র ও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে মোরশেদ ও মজিদ নামের দুই ব্যক্তি খোরশেদ আলমকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর খাঁনের বাড়ির ভেতর গুলির শব্দ শুনতে পান স্থানীয়রা। নিহতের স্ত্রী আকলিমা আক্তার ও মেয়ে প্রেমা আক্তার জানান, গুলির শব্দ শুনে তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং জানতে পারেন যে, ব্যবসায়িক প্রতিপক্ষ ওয়ালিদ নামের এক ব্যক্তি খোরশেদকে গুলি করেছে। মাটির ব্যবসা নিয়ে ওয়ালিদ দীর্ঘদিন ধরে খোরশেদকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. জহুরুল ইসলাম রনি জানান, খোরশেদ আলমকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। পরীক্ষা করে তার শরীরে দুটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ ফারভেজ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং এর সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশি অভিযান শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে
নিহত খোরশেদ আলম দিলসাদপুর গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত খোরশেদের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র ও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে মোরশেদ ও মজিদ নামের দুই ব্যক্তি খোরশেদ আলমকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর খাঁনের বাড়ির ভেতর গুলির শব্দ শুনতে পান স্থানীয়রা। নিহতের স্ত্রী আকলিমা আক্তার ও মেয়ে প্রেমা আক্তার জানান, গুলির শব্দ শুনে তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং জানতে পারেন যে, ব্যবসায়িক প্রতিপক্ষ ওয়ালিদ নামের এক ব্যক্তি খোরশেদকে গুলি করেছে। মাটির ব্যবসা নিয়ে ওয়ালিদ দীর্ঘদিন ধরে খোরশেদকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. জহুরুল ইসলাম রনি জানান, খোরশেদ আলমকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। পরীক্ষা করে তার শরীরে দুটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ ফারভেজ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং এর সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশি অভিযান শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে