ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে শ্বশুরবাড়িতে এসে স্ত্রীর গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামী জাহাঙ্গীর মিয়ার বিরুদ্ধে। এতে শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ হওয়া ইখতারা সরকার (৩২) নামে এক গৃহবধূর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৭টার দিকে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইখতারা সরকার মৃত্যু হয়।
এর আগে গত ৩১ অক্টোবর (শনিবার) ভোরে আশুগঞ্জ উপজেলার চরচারতলা এলাকার সরকারবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইখতারা সরকার এই এলাকার ঈদন সরকারের মেয়ে। তাঁর স্বামী জাহাঙ্গীর মিয়ার বাড়ি নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায়। প্রায় ১৬ বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে।
নিহতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, প্রায় এক বছর ধরে জাহাঙ্গীর মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। এ নিয়ে পারিবারিক কলহের জেরে প্রায়ই স্ত্রীকে মারধর করতেন তিনি। প্রায় দেড় মাস আগে মারধরের শিকার হয়ে দুই বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে আসেন ইখতা সরকার।
স্বজনদের দাবি, ঘটনার আগের দিন শুক্রবার ছোট ছেলেকে নিতে শ্বশুরবাড়িতে আসেন জাহাঙ্গীর। এ সময় স্ত্রীর সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তাঁকে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মারার হুমকি দেন। পরদিন ভোরে ফজরের নামাজ পড়তে ইখতারার মা ঘর থেকে বের হলে সেই সুযোগে জাহাঙ্গীর ঘরে ঢুকে বিছানায় ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় ইখতারার শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। পরে তাঁর চিৎকার শুনে স্বজনেরা এগিয়ে এসে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করেন।
ইখতারার গলা ও কণ্ঠনালীসহ শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ পুড়ে যায়। পরে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়।
আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিসুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছেন। তাঁকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৭টার দিকে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইখতারা সরকার মৃত্যু হয়।
এর আগে গত ৩১ অক্টোবর (শনিবার) ভোরে আশুগঞ্জ উপজেলার চরচারতলা এলাকার সরকারবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইখতারা সরকার এই এলাকার ঈদন সরকারের মেয়ে। তাঁর স্বামী জাহাঙ্গীর মিয়ার বাড়ি নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায়। প্রায় ১৬ বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে।
নিহতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, প্রায় এক বছর ধরে জাহাঙ্গীর মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। এ নিয়ে পারিবারিক কলহের জেরে প্রায়ই স্ত্রীকে মারধর করতেন তিনি। প্রায় দেড় মাস আগে মারধরের শিকার হয়ে দুই বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে আসেন ইখতা সরকার।
স্বজনদের দাবি, ঘটনার আগের দিন শুক্রবার ছোট ছেলেকে নিতে শ্বশুরবাড়িতে আসেন জাহাঙ্গীর। এ সময় স্ত্রীর সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তাঁকে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মারার হুমকি দেন। পরদিন ভোরে ফজরের নামাজ পড়তে ইখতারার মা ঘর থেকে বের হলে সেই সুযোগে জাহাঙ্গীর ঘরে ঢুকে বিছানায় ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় ইখতারার শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। পরে তাঁর চিৎকার শুনে স্বজনেরা এগিয়ে এসে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করেন।
ইখতারার গলা ও কণ্ঠনালীসহ শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ পুড়ে যায়। পরে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়।
আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিসুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছেন। তাঁকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।