আদালত চত্বরে এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চিত্রনায়িকা পরীমনির তোলা ‘ব্যাডটাচ’ বা অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শের অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীরা। একই সঙ্গে জানা গেছে, অভিযুক্ত ওই সাংবাদিক জন্মগতভাবেই ডানহাতে শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার এবং ঘটনার সময় তাঁর অপর হাতে মোবাইল ফোন সচল ছিল।
আদালতে একটি মামলার হাজিরা শেষে বের হওয়ার সময় ভিড়ের মধ্যে এক সাংবাদিক তাঁকে ‘ব্যাডটাচ’ করেছেন বলে গণমাধ্যমের সামনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন পরীমনি। তাঁর এই অভিযোগের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
তবে ঘটনার পরপরই সেখানে উপস্থিত অন্যান্য গণমাধ্যমকর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা পরীমনির এই দাবিকে সত্য নয় বলে নাকচ করে দিয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, আদালত চত্বরে প্রচণ্ড ভিড় ও হুড়োহুড়ির মধ্যে সংবাদকর্মীরা পরীমনির বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। সে সময় কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শের ঘটনা ঘটেনি।
অনুসন্ধানে জানা যায়, পরীমনি যে সংবাদকর্মীর দিকে ইঙ্গিত করে অভিযোগ তুলেছেন, তিনি জন্ম থেকেই ডানহাতে প্রতিবন্ধী। তাঁর ডান হাতটি স্বাভাবিকভাবে নাড়াচাড়া বা ব্যবহার করার মতো অবস্থায় নেই। অন্যদিকে, ঘটনার সময় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, ভিড়ের মধ্যে ওই সাংবাদিকের বাম হাতে একটি মোবাইল ফোন ছিল, যা দিয়ে তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত ছিলেন। ফলে তাঁর পক্ষে পরীমনিকে স্পর্শ করার কোনো শারীরিক সুযোগ ছিল না।
সহকর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিকরা জানান, প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির পরিস্থিতি তৈরি হলেও সেটিকে ঢাল বানিয়ে একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এমন স্পর্শকাতর ও মানহানিকর অভিযোগ আনা অত্যন্ত দুঃখজনক। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এমন ভিত্তিহীন অভিযোগের শিকার হওয়া সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করে বলে মন্তব্য করেছেন জ্যেষ্ঠ সংবাদকর্মীরা।
আদালতে একটি মামলার হাজিরা শেষে বের হওয়ার সময় ভিড়ের মধ্যে এক সাংবাদিক তাঁকে ‘ব্যাডটাচ’ করেছেন বলে গণমাধ্যমের সামনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন পরীমনি। তাঁর এই অভিযোগের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
তবে ঘটনার পরপরই সেখানে উপস্থিত অন্যান্য গণমাধ্যমকর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা পরীমনির এই দাবিকে সত্য নয় বলে নাকচ করে দিয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, আদালত চত্বরে প্রচণ্ড ভিড় ও হুড়োহুড়ির মধ্যে সংবাদকর্মীরা পরীমনির বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। সে সময় কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শের ঘটনা ঘটেনি।
অনুসন্ধানে জানা যায়, পরীমনি যে সংবাদকর্মীর দিকে ইঙ্গিত করে অভিযোগ তুলেছেন, তিনি জন্ম থেকেই ডানহাতে প্রতিবন্ধী। তাঁর ডান হাতটি স্বাভাবিকভাবে নাড়াচাড়া বা ব্যবহার করার মতো অবস্থায় নেই। অন্যদিকে, ঘটনার সময় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, ভিড়ের মধ্যে ওই সাংবাদিকের বাম হাতে একটি মোবাইল ফোন ছিল, যা দিয়ে তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত ছিলেন। ফলে তাঁর পক্ষে পরীমনিকে স্পর্শ করার কোনো শারীরিক সুযোগ ছিল না।
সহকর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিকরা জানান, প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির পরিস্থিতি তৈরি হলেও সেটিকে ঢাল বানিয়ে একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এমন স্পর্শকাতর ও মানহানিকর অভিযোগ আনা অত্যন্ত দুঃখজনক। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এমন ভিত্তিহীন অভিযোগের শিকার হওয়া সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করে বলে মন্তব্য করেছেন জ্যেষ্ঠ সংবাদকর্মীরা।